Shab-e-Meraj) মানে হলো "ঊর্ধ্বগমনের রাত", যে রাতে হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) আল্লাহ্র ইচ্ছায় অলৌকিকভাবে ঊর্ধ্বলোকে ভ্রমণ করেন এবং মহান আল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন, যা মুসলমানদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি রাত। এই রাতে মুসলমানদের জন্য পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ করা হয়েছিল, তাই নামাজকে 'মুমিনের মেরাজ' বলা হয়। শবে মেরাজ উপলক্ষে মুসলমানরা নফল নামাজ, কুরআন তেলাওয়াত, দোয়া ও ইবাদত-বন্দেগিতে রাতটি অতিবাহিত করেন।
শবে মেরাজ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
অর্থ: 'শাব' অর্থ রাত এবং 'মেরাজ' অর্থ ঊর্ধ্বগমন বা ঊর্ধ্বলোক ভ্রমণ।
ঘটনা: ইসলামিক বিশ্বাস অনুযায়ী, রজব মাসের ২৬ তারিখ দিবাগত রাতে নবীজি (সাঃ) মেরাজের মাধ্যমে ঊর্ধ্বাকাশে ভ্রমণ করেন।
গুরুত্বপূর্ণ প্রাপ্তি: এই রাতে উম্মতে মুহাম্মদী (সাঃ)-এর উপর দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ করা হয়।
উদযাপন: মুসলমানরা এই রাতে ইবাদত-বন্দেগি, নফল নামাজ, কুরআন পাঠ, দোয়া ও তওবা-ইস্তিগফারের মাধ্যমে আল্লাহ্র নৈকট্য লাভের চেষ্টা করেন।
মেরাজের কিছু তাৎপর্য:
নামাজের বিধান প্রতিষ্ঠা।
আল্লাহ্র নিদর্শন প্রত্যক্ষ করা।
জান্নাত ও জাহান্নামের কিছু দৃশ্য দেখা।
নবীজীর সঙ্গে অন্যান্য নবীদের সাক্ষাৎ (যেমন: আদম, ঈসা, মুসা, ইব্রাহিম আঃ)।
শবে মেরাজের তাৎপর্য রাসুল (সা.) জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মুজিজা বা ...
উম্মতের ওপর ৫০ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ করা হয়। পরবর্তী সময়ে বারবার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আল্লাহ তায়ালা দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ উম্মতে মোহাম্মদির ওপর ফরজ করেন, ...


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন