এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার সাড়ে ৩ টার দিকে খুলনা জেলার দিঘলিয়া উপজেলার ১নং গাজীরহাট ইউনিয়নের কোলা বাজারের খুচরা কীটনাশক ও বিএডিসি সার ডিলার মোঃ অছেল মোল্লা বিক্রয় নিষিদ্ধ ধানবীজ বিক্রয় করছেন এমন সংবাদের ভিত্তিতে দিঘলিয়া উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) দেবাংশু বিশ্বাস ও দিঘলিয়া উপজেলার উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা (কেটলা ব্লকের দায়িত্বে) কৌশিক দাস ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পরবর্তীতে উক্ত অছেল মোল্যার দোকান থেকে বিপুল পরিমাণ বিক্রয় নিষিদ্ধ ব্রি ধান ও হাইব্রিড ধান উদ্ধার করা হয়। অতঃপর দিঘলিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে উক্ত ডিলারের লাইসেন্স বাজেয়াপ্ত ও নগদ ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।
দোকানের মালিক অছেল মোল্যা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এর নিকট জবানবন্দিতে বলেছেন গাজীরহাট ইউনিয়নের ছাত্রদলের সভাপতি নবাব মোল্যা তার নিকট সরকারি ধানের বীজ বিক্রি করেছেন। এদিকে ঘটনা সূত্রে আরো জানা যায়, গাজীরহাট ইউনিয়নের সাধারণ কৃষকের ধানবীজ উপজেলা কৃষি অফিস থেকে তুলে গাজীরহাট ইউনিয়নে রাখে। সেখান থেকে ধানবীজ কৃষকদের মাঝে বিতরণ না করে একটি মহলের গোপন ইশারায় এই ধানবীজ আত্নসাৎ ও কালোবাজারে বিক্রি করেছে। একটি বড়, সংগঠিত ও প্রভাবশালী মহলের যোগ সূত্রিতায় এই ধান বীজ চুরির ঘটনা ঘটেছে যা জোর তদন্তে বেরিয়ে আসবে বলে বিজ্ঞমহলের অভিমত।
অপর এক সূত্র বলছে বর্তমানে একটি মহল দল ধরে এসে বিভিন্ন অফিসে এসে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছে। ফলে সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা নিরোপেক্ষভাবে কাজ করতে পারছে না এমনটাই জানিয়েছেন বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারীরা।
দিঘলিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) দেবাংশু বিশ্বাস এ প্রতিবেদককে জানান, আমরা কোলা বাজারে ডিলারের দোকানে সরকারি ধানবীজ বিক্রি হচ্ছে এই মর্মে সংবাদ পেয়ে গাজীরহাট ইউনিয়নের কোলা বাজারে অচেল মোল্যার দোকানে অভিযান পরিচালনা করি। তার দোকানে নানা অনিয়ম পাই। সে কারণে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করি। পার্শ্ববর্তী একটা দোকান আমরা বিএডিসি প্রদানকৃত ধান বীজ উদ্ধার করি। এবং উক্ত দোকানের লাইসেন্স বাতিলের জন্য কৃষি অফিসারকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নবাব মোল্যাকে আমরা সেখানে উপস্থিত পাইনি।


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন