কালীগঞ্জে তুচ্ছ ঘটনায় নারী ও শিশুসহ ৩ জন আহত - daily shadhinceta

এখানে আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন

সংবাদ শিরোনাম

Home Top Ad

Responsive Ads Here

Post Top Ad

Responsive Ads Here

সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬

কালীগঞ্জে তুচ্ছ ঘটনায় নারী ও শিশুসহ ৩ জন আহত



মোঃ মুক্তাদির হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার।
গাজীপুরের কালীগঞ্জে তুচ্ছ ঘটনায় নারী ও শিশুসহ তিন জনকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলার সংবাদ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি কালীগঞ্জ পৌর ৫নং ওয়ার্ড বালীগাঁও এলাকায় বুধবার (২ জুলাই) দুপুরে ইব্রাহিমের বাড়িতে ঘটেছে।
সরেজমিনে ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বুধবার (২ জুলাই) দুপুরে কালীগঞ্জ পৌর ৫নং ওয়ার্ড বালীগাঁও এলাকার নুরুল ইসলামের পুত্র ইব্রাহিম বাড়ীতে ঘরের দেয়ালে প্লাষ্টার করার সময় স্থাণীয় মো. আমির আলীর পুত্র সোহেল কাজে বাধা প্রদান করেন এবং ইব্রাহিম ও তার কাজে নিয়োজিত লোকদের গালিগালাজ করে। ইব্রাহিম প্রতিবাদ করলে আমির আলীর পুত্র সোহেল ও রতন, রতনের পুত্র লিমন, আমির আলীর স্ত্রী আম্বিয়া আখি, সোহেল এর স্ত্রী ছাবিকুন ও রতনের স্ত্রী সাথী মিলিয়া দেশীয় অস্ত্র সহ ইব্রাহিমের বাড়ীতে প্রবেশ করে গালিগালাজ সহ হুমকি দিতে থাকে। তাদের অশোভন আচরনের বিষয়টি নিয়ে গ্রামের লোকজন ডাকতে গেলে সোহেল গং ইব্রাহিম ও তার স্ত্রী আমেনা বেগমকে এলোপাথাড়ি পিটিয়ে জখম করে এবং স্ত্রী আমেনা বেগমের গলার নিচে, বুকে কামুড় দেয় এবং ডানহাত ভেঙ্গে ফেলে। ইব্রাহিমকে হত্যার উদ্দেশ্যে ধারালো ছেন দিয়ে তার কব্জির নিচে রক্তাক্ত জখম ও বামপায়ের হাটুর নিচে নিলা ফুলা জখম করেন। ছোট মেয়ে সুমাইয়াকে বাবা-মাকে বাচাতে আসলে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে টেনে হেচড়ে তাদের ঘরে নিয়ে যায়। এ সময় ইব্রাহিম ও তার স্ত্রী চিৎকার করলে আশেপাশের লোকজন এসে তাদের উদ্ধার করে আহত অবস্থায় কালীগঞ্জ উপজেলা সরকারী হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করেন। যাহার রেজিঃ নং ৫০৫৯/১৫, ৫০৫৮/১৪ ও ৫০৬০/১৬। আমেনা বেগমের উন্নত চিকিৎসার জন্য কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। এ বিষয়ে ইব্রাহিম বাদী হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযুক্ত সোহেল ও রতনের বাড়িতে গিয়ে পাওয়া যায়নি। পরে তাদের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে তারা জানায়, তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সত্য নয়। আমরা কাউকে মারি নাই। আমাদের মিথ্যা ভাবে জরানো হয়েছে। তারা আমার মায়ের শরীরে আঘাত করেছে। এ বিষয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত ডাক্তার বলেন, আমেনা বেগম নামের রোগীর ডানহাতের কব্জীর নিচে হাড় ভেঙ্গে গেছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।
দুই পক্ষের অভিযোগ তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই মো. কামরুল ইসলাম বলেন, দুই পক্ষের অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। সাধারণ একটা বিষয় নিয়ে ঘটনার জন্ম। তবে সোহেল গং হামলা না করে আইনের আশ্রয় নিতে পারতো। হামলায় আমেনা বেগমের ডান হাতে ভেঙ্গে গেছে। তিনি উন্নত চিকিৎসার জন্য গাজীপুর শহিদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। অভিযোগ তদন্ত শেষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ বিষয়ে কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. জাকির হোসেন বলেন, ইব্রাহীম ও সোহেলের ঘটনা সম্পর্কে আমি অবগত হয়েছি। উভয় পক্ষ থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। আমি দু পক্ষকে শান্তি বজায় রাখতে নির্দেশ দিয়েছি।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Post Bottom Ad

Responsive Ads Here