দিঘলিয়ায় চিহ্নিত সন্ত্রাসী চক্র ডেকে নিয়ে মেরে পা ভেঙ্গে দিয়েছে এক যুবকের - daily shadhinceta

এখানে আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন

সংবাদ শিরোনাম

Home Top Ad

Responsive Ads Here

Post Top Ad

Responsive Ads Here

সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬

দিঘলিয়ায় চিহ্নিত সন্ত্রাসী চক্র ডেকে নিয়ে মেরে পা ভেঙ্গে দিয়েছে এক যুবকের






দিঘলিয়া প্রতিনিধিঃ


দিঘলিয়া উপজেলার সেনহাটিতে বেজি আল আমিনের নেতৃত্বে ৩/৪ জনের এক সংঘবদ্ধ চিহ্নিত সন্ত্রাসী চক্র অস্ত্র ঠেকিয়ে মুরাদ হোসেনের পুত্র কানা শান্তকে ডেকে নিয়ে আলহাজ্ব সারোয়ার খান ডিগ্রী কলেজ সংলগ্ন বাগানে নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে তাকে মেরে হাত পা ভেঙ্গে দেয় এবং তার নিকট থেকে মানিব্যাগসহ সব কিছু ছিনিয়ে নিয়ে গেছে।


সূত্র থেকে জানা যায়, দিঘলিয়া উপজেলার সেনহাটি বাজার সংলগ্ন মোঃ মুরাদ হোসেনের পুত্র কানা শান্ত ও সেনহাটি শিববাড়ি মন্দীরের পিছনে বেঁদে পাড়ার মৃত জলিল মোল্যার পুত্র বেজি আল আমিন। তারা উভয়ই সন্ত্রাসী গ্রুপের সদস্য। মাদক, চুরি, চাঁদাবাজি, ছিনতাই দস্যুতা এ গ্রুপের কাজ। এরা দলে ভারি। কানা শান্ত ও বেজী আল আমীনের বিরুদ্ধে হত্যাসহ নানা মামলা রয়েছে। সম্প্রতি কানা শান্ত ও বেজি আল আমিন কয়েকবার আইন প্রয়োগকারী বাহিনীর হাতে গ্রেফতারও হয়েছে। কানা শান্ত জানা গেছে, গত রবিবার রাত ১০টার দিকে দুইজন লোক নিয়ে সেনহাটি বাজারের একটা বেকারীর সামনে দাঁড়িয়ে কথা বলছিল। এ সময় বেজী আল আমিন ৩/৪ জন লোক নিয়ে তাকে ডেকে নিয়ে যায় এবং কিছুদূর যাওয়ার পর অস্ত্র ঠেকিয়ে তাকে


 রাত সাড়ে ১০ টার দিকে বেজি আল আমিন এসে তাকে ডেকে নিয়ে যায়। কিছুদূর যাওয়ার পর সে ও তার ৩/৪ জন সহযোগীকে নিয়ে অস্ত্র ঠেকিয়ে ধরে এবং অস্ত্রের মুখে জিন্মি করে তাকে সেনহাটি আলহাজ্ব সারোয়ার খান ডিগ্রী কলেজ সংলগ্ন বাগানে নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে তার নিকট থাকা টাকাসহ মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেয় এবং তার হাতে থাকা অস্ত্রের বাট দিয়ে পিটিয়ে হাতপা ভেঙে দেয়। তার চিৎকার শুনে লোকজন এগিয়ে এলে আল-আমিন বাহিনী ঘটনাস্থল ত্যাগ করলে লোকজন কানা শান্তকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। 


উল্লেখ্য বেজি আল আমিন জেল থেকে বেরিয়ে দিনে খুলনা শহরের দৌলতপুর ও খালিশপুর থানা এলাকায় অবস্থান করে। রাতে ভৈরব নদী পার হয়ে সেনহাটি এলাকায় এসে চুরি, ছিনতাই, চাঁদাবাজিসহ নানা অপরাধমূলোক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়। আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা তাকে গ্রেফতার করে জেলে দিলেও আইনের ফাঁক ফোঁকরে বেরিয়ে এসে আবার অপরাধে জড়িয়ে পড়ে। এদের অর্থের প্রধান উৎস হলো মাদক ও চুরিসহ চাঁদাবাজি। শান্ত ও আল আমিনগং একই গ্রুপের সদস্য হলেও এলাকায় আধিপত্য ও ভাগাভাগি নিয়ে এ ঘটনা ঘটতে পারে বলে বিজ্ঞমহলের অভিমত।


দিঘলিয়া থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহ আলম এ প্রতিবেদককে জানান, আমি সংবাদ পেয়ে সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। অপরাধীদের গ্রেফতারে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত আছে।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Post Bottom Ad

Responsive Ads Here