ইউসুপ মোল্লাঃ
বিএনপির চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান আজিজুল বারী হেলালকে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব অর্পণ করেছেন — যা দেশের পরিবেশ রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা ও সবুজায়ন কর্মসূচির জন্য একটি সঠিক ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে — বিএনপির চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য আজিজুল বারী হেলালকে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব অর্পণ করেছেন।এই নিয়োগটি শুধু একটি পদ নয় — এটি একটি আস্থার প্রতীক, একটি সবুজ প্রতিশ্রুতি, এবং জলবায়ু সংকটের সময়ে দেশের জন্য সঠিক নেতৃত্বের নির্বাচন।
খুলনা-৪ আসনের নবনির্বাচিত এমপি আজিজুল বারী হেলাল নির্বাচনী প্রচারণার সময় থেকেই “সবুজ ও সুন্দর সমাজ গঠনের অঙ্গীকার” নিয়ে কাজ করেছেন। তিনি নিজে বলেছেন.“সবুজ ও সুন্দর সমাজ গঠনের অঙ্গীকারেই আমাদের এই উদ্যোগ। আমরা গাছ লাগাবো, নদী রক্ষা করবো, খাল খনন করবো — যাতে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম নিরাপদ ও সবুজ পরিবেশে বেড়ে ওঠে।
আজিজুল বারী হেলাল তিনি রূপসা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় একটি গাছ, একটি জীবন”কর্মসূচি চালু করেছেন, গ্রামের শিশুদের নিয়ে গাছ লাগানোর উৎসব করেছেন, এবং নদী ও খালের দূষণ রোধে স্থানীয় জনগণের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন।বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম। তাই পরিবেশ রক্ষা, বনায়ন বৃদ্ধি, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এবং স্থানীয় পর্যায়ে পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি করা এখন সময়ের দাবি।
আজিজুল বারী হেলালের মতো একজন নেতা, যিনি গ্রামের মানুষের সঙ্গে মিশে কাজ করেন, যিনি সবুজায়নের জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করতে প্রস্তুত, এবং যিনি আইন প্রয়োগের মাধ্যমে জুলুম ও দখলের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান— তিনি এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে আসলে দেশের জন্য নতুন আশার আলো আনবেন।
বিএনপির চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান এই নিয়োগের মাধ্যমে প্রমাণ করেছেন যে, তিনি দেশের ভবিষ্যতের কথা ভাবেন, জনগণের আস্থার মূল্য দেন, এবং সঠিক মানুষকে সঠিক জায়গায় বসানোর ক্ষমতা রাখেন। আজিজুল বারী হেলালকে পরিবেশ-বন ও জলবায়ু মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার জন্য খুলনা বাসী_ বিএনপির চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানকে ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।
এটা একটা সম্ভাব্য মন্ত্রিসভার তালিকা — কিন্তু এখনও অফিসিয়াল নয়।তবে -সরকারিভাবে ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত এগুলো শুধুমাত্র সম্ভাবনা হিসেবে বিবেচনা করা উচিত। সরকারিভাবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন আকারে প্রকাশ করা হয়। এখন পর্যন্ত এমন কোনো প্রজ্ঞাপন আসেনি। শুধু “সূত্র অনুযায়ী, সম্ভাব্য মন্ত্রিসভায় আজিজুল বারী হেলাল থাকতে পারেন — তবে সরকারিভাবে এখনও ঘোষণা হয়নি।
এছাড়া সম্ভাব্য মন্ত্রিসভার তালিকায় যাদের নাম-সূত্র অনুযায়ী— কিন্তু এখনও অফিসিয়াল নয়_
১. জনাব তারেক রহমান (প্রতিরক্ষা)২.মির্জা ফখরুল ইসলাম (বিমান ও পর্যটন) ৩. খন্দকার মোশারফ হোসেন (বিদ্যুৎ ও জ্বালানি) ৪. আব্দুল মইন খান (তথ্য ও সম্প্রচার)৫. মির্জা আব্বাস (গৃহায়ণ ও গণপূর্ত) ৬. মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (বস্ত্র ও পাট)৭. আব্দুল আওয়াল মিন্টু (সমাজকল্যাণ) ৮. আমির খসরু মাহমুদ (বাণিজ্য)৯. সালাহ উদ্দিন আহমেদ (জন প্রশাসন) ১০. আব্দুস সালাম পিন্টু (শিল্প)
১১. ড. রেজা কিবরিয়া (অর্থ)১২. হুমায়ুন কবির (পররাষ্ট্র/ টেকনোক্যাট)১৩. এয়ার ভাইস মার্শাল আলতাফ হোসেন চৌধুরী (স্বরাষ্ট্র)১৪. মাহবুব উদ্দিন খোকন (আইন, বিচার ও সংসদ)১৫. গয়েস্বর চন্দ্র রায় (সড়ক পরিবহন ও সেতু)১৬. ইকবাল হোসেন মাহমুদ টুকু (কৃষি) ১৭. আমান উল্যাহ আমান (ডাক, টেলি যোগাযোগ) ১৮. ব্যারিস্টার নওশাদ জামির (খাদ্য)১৯. এহসানুল হক মিলন (শিক্ষা)২০. শামা ওবায়েদ (প্রাথমিক ও গণশিক্ষা)
২১. ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন (স্বাস্থ্য ও পরিবার)
২২. রুহুল কুদ্দুস তালুকদার (lgrd)২৩. নিতাই রায় (যুব ও ক্রীড়া)২৪. সানজিদা ইসলাম তুলি (মহিলা ও শিশু) ২৫. মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ (ধর্ম) ২৬. লুৎফুজ্জামান বাবর (পানি সম্পদ)২৭. শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এনি, (প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদিশিক)২৮. জয়নুল আবেদীন ফারুক (মৎস)২৯. ফজলুর রহমান (মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক)৩০. নুরুল হক নুরু (নৌ পরিবহন)
৩১. আন্দালিব পার্থ (রেলপথ)৩২. জোনায়েদ সাকি (ভূমি)৩৩. হাবিবুর রশীদ (দুর্যোগ ব্যাবস্থাপনা)৩৪. মাহদি আমিন (টেকনোক্যাট, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি)৩৫. ববি হাজ্জাজ (পরিকল্পনা মন্ত্রী)৩৬. আজিজুল বারি হেলাল (পরিবেশ, বন ও জলবায়ু)৩৭. শিমুল বিশ্বাস (সংস্কৃতি)৩৮. হুম্মাম কাদের (শ্রম ও কর্মসংস্থান)
সসম্ভাব্য হচ্ছে….


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন