‎ফুলতলায় মাদ্রাসায় চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টা ও ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগ - daily shadhinceta

এখানে আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন

সংবাদ শিরোনাম

Home Top Ad

Responsive Ads Here

Post Top Ad

Responsive Ads Here

সোমবার, ১২ জানুয়ারি, ২০২৬

‎ফুলতলায় মাদ্রাসায় চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টা ও ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগ



‎মোঃ সুমন মিয়া 

‎উপজেলা প্রতিনিধি(ফুলতলা)

‎​ গাড়াখোলা দাখিল মাদ্রাসা, দামোদর ইউনিয়ন, ফুলতলা উপজেলা, খুলনা।

‎ঘটনার তারিখ  ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৫

‎ফুলতলার গাড়াখোলা দাখিল মাদ্রাসায় চতুর্থ শ্রেণির এক শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের চেষ্টা ও নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে মাদ্রাসার নৈশ প্রহরী ফেরদৌস মোড়লের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে মাদ্রাসার সুপার, শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির বিরুদ্ধে অর্থ লেনদেন ও ভয়ভীতির মাধ্যমে বিষয়টি মিমাংসার চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

‎​ঘটনার বিবরণ

‎​গত ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে মাদ্রাসার নৈশ প্রহরী ফেরদৌস মোড়ল চতুর্থ শ্রেণির ওই শিক্ষার্থীকে ফুসলিয়ে মাদ্রাসার চারতলা ভবনের তৃতীয় তলায় নিয়ে যায়।

‎​সেখানে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা চালালে শিশুটি বাধা দেয়। একপর্যায়ে অভিযুক্ত ফেরদৌস মোড়ল শিশুটিকে মারধর করে।

‎​শিশুর চিৎকারে মাদ্রাসার পাশ দিয়ে যাওয়া পথচারীরা দাঁড়িয়ে গেলে এবং মানুষের উপস্থিতি টের পেয়ে লম্পট ফেরদৌস মোড়ল শিশুটিকে ছেড়ে দেয়। তবে যাওয়ার আগে কাউকে কিছু না বলার জন্য শিশুটিকে জীবননাশের হুমকি দেয়।

‎​ধামাচাপা দেওয়ার অপচেষ্টা ও অভিযুক্তদের 

‎​শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে মাদ্রাসার সুপার মোঃ শাহজাহান হোসাইন-এর কাছে অভিযোগ করা হলে, ন্যায়বিচারের পরিবর্তে একটি প্রভাবশালী মহল ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে।

‎​ সহকারী শিক্ষক ফিরোজ মোড়ল এবং তার ভাই সানোয়ার মোড়ল অভিযুক্ত ফেরদৌসকে লোকদেখানো কয়েকটি চড়-থাপ্পড় দিয়ে বিষয়টি সেখানেই শেষ করার চেষ্টা করেন।

‎​ মাদ্রাসা ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও ফুলতলা উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা জনাব ওবায়দুুল হক

‎এবং মাদ্রাসা সুপার মোঃ শাহজাহান হোসাইন  প্রথমে বিষয়টি জানেন না বলে অস্বীকার করেন।

‎​ পরবর্তীতে সভাপতি ওবায়দুুল হক ও মাদ্রাসা  সুপার শাহজাহান হোসাইন এবং শিক্ষক ফিরোজ মোড়ল রাতের অন্ধকারে ভুক্তভোগীর বাড়িতে যান। তারা শিশুটির বাবাকে টাকার বিনিময়ে বিষয়টি মিমাংসা করার প্রস্তাব দেন।

‎​অভিযুক্তকে কেবল মৌখিকভাবে সাময়িক বরখাস্ত করা হয় এবং পরবর্তীতে আলোচনার আশ্বাস দিয়ে তারা ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

‎​ভুক্তভোগী শিশুটির পিতা মোঃ রশিদ বিশ্বাস এবং স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে এ নিয়ে চরম ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয় জনতার মাধ্যমে বিষয়টি গণমাধ্যমকর্মীদের নজরে এসেছে। এলাকাবাসী এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং লম্পট ফেরদৌস মোড়ল ও তাকে প্রশ্রয়দানকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছেন।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Post Bottom Ad

Responsive Ads Here