ইরানি পারভীনঃ
খুলনায় পীর খানজাহান আলী (র:) সেতুর ২ নম্বর পিলারের বেজমেন্ট থেকে সাংবাদিক ওয়াহেদ-উজ-জামান বুলু এর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
নিহত বুলু খুলনা মহানগরীর শিববাড়ি এলাকার আকবর আলীর ছেলে সোনাডাঙ্গা ১ম ফেজে ভাড়া থাকতেন। সাংবাদিকের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
রোববার (৩১ আগস্ট) সন্ধ্যায় স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান লবণচরা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই রহিম। তিনি জানান, লাশটি নদীর ভেতরে ভাসমান অবস্থায় থাকায় নৌপুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পরে রূপসা নৌপুলিশ ফাঁড়ির এসআই বেল্লাহ হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা সন্ধ্যা ৭টার দিকে মরদেহ উদ্ধার করেন।
নিহতের পরনে ছিল নীল রঙের গ্যাবাডিন প্যান্ট ও আকাশি রঙের টি-শার্ট। তবে তার ডান হাত ও মুখমণ্ডল ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় পাওয়া যায়, যা ঘটনাটিকে রহস্যজনক করে তুলেছে।
সাংবাদিক ওয়াহিদুজ্জামান ব্লুর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
ডাঃ এস কে বাহারুল আলম এর নাগরিক আন্দোলন খুলনা সংগঠনের একজন সদস্য ছিলেন সাংবাদিক ওয়াহিদুজ্জামান ব্লু এবং খুলনা শহরের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আর কি এম রিয়েল এস্টেট ও কিউপিএস ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড কনস্ট্রাকশন কোম্পানির মালিক ও কিউপিএস সল্যুশন কোম্পানির মালিক এবং রাজনীতিবীদ জুনায়েদ সাকির সাথে জনসংহতি করতেন কামরুজ্জামান টুকু স্বাদ খুলনা শহরের সোনাডাঙ্গা ১ম ফেজের ৩ নং রোডের ৬৯ এ আবাসিক এলাকায়। দীর্ঘ দিন ধরে এই বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, ও রাজনীতি বিদ কামরুজ্জামান টুকু স্বাদ পরিবার সহ নিখোঁজ হয়। তার স্ত্রী ইরানী পারভীন বিজ্ঞ আদালতে কয়েক জনকে আসামি করে সি আর ৩০৭/২৫ দন্ডবিধি ৩৬৪/৩৬৫/৩৪ ধারায় মামলা দায়ের করে । মামলা কি বর্তমানে সি আইডিতে তদন্তাধীন আছে। ব্যবসায়ী কামরুজ্জামান ও তার ছেলে মেয়ে সহ পরিবারের ১৭ জন মানুষ নিখোঁজ হয়। এবং সাংবাদিক ওয়াহিদুজ্জামান ব্লু ভাই ব্যবসায়ী কামরুজ্জামান এর পাশের বাড়িতে সোনাডাঙ্গা ১ম ফেজের তিন নং রোডের ৬৯ এ বাড়ির প্রতিবেশী হওয়ায় দুজনের সাথে ভালো বন্ধুত্ব ছিলো। কামরুজ্জামান টুকু স্বাদ নিখোঁজ হওয়ার সাথেসাথে কামরুজ্জামান টুকু স্বাদ এর সোনাডাঙ্গা ১ম ফেজের ৬৯ এ দশতলা বাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গাড়ি জমিজমা সহ সব কিছু রাতারাতি সন্ত্রাসীরা দখল করে নেয় সোনাডাঙ্গা থানার পুলিশ প্রশাসন সহ খুলনা শহরের বড়বড় ক্যাডাররা । সাংবাদিক ব্লু কামরুজ্জামান টুকু স্বাদ এর স্ত্রী ইরানী পারভীন কে গত ১৪ ই ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ইং রাতে সোনাডাঙ্গা ১ মা পেজের ৬৯ নং বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে তাকে অনেক তথ্য দেন ইন্টারন্যাশনাল মাফিয়া গ্যাং যারা অস্ত্র, স্বর্ণ , মাদক, অঙ্গ পাচার সম্পর্কে অনেক তথ্য দেন যার সাথে খুলনা মেডিকেলের অনেক বড় বড় ডাক্তার রা সহ বাংলাদেশ এর বড়বড় রাজনৈতিক নেতারা জড়িত। কামরুজ্জামান টুকু স্বাদ এর পরিবারের সদস্যদের সাথে অনেক খারাপ কিছু ঘটেছে এগুলো সাংবাদিক ব্লু ভাই ইরানী কে বলেছিলো। তারপর ইরানী বিজ্ঞ আদালতে মামলা করে কামরুজ্জামান কে উদ্ধার এর জন্য । তার কিছু দিন পর সাংবাদিক ওয়াহিদুজ্জামান ব্লু এর স্ত্রী নিখোঁজ হয়। তারপর সাংবাদিক ব্লু কে মটর সাইকেলে এক্সিডেন্ট করিয়ে মেরে ফেলতে চায় সন্ত্রাসী রা। গাড়ি চাপা দিয়ে হত্যা করতে চেয়েছিলো সন্ত্রাসী রা কিন্তু এক্সিডেন্ট দেখিয়েছে। এখন সাংবাদিক ওয়াহিদুজ্জামান ব্লু এর লাশ পাওয়া গেলো । পরপর এতগুলো ঘটনা গুলো সন্ত্রাসী চক্রের কাজ নির্দেশ করছে। তাই সন্ত্রাসী রা সাংবাদিক ওয়াহিদুজ্জামান ব্লু কে হত্যা করে লাশ নদীতে ফেলে আত্মহত্যা সাজানোর চেষ্টা করছে। যেহেতু ডাক্তার এসে কে বাহারুল আলম খুলনা বিএমএ এর সভাপতি সেহেতু ডাক্তার দের দিয়ে হত্যাকে আত্মহত্যা বানিয়ে রিপোর্ট দিবে এটা অসম্ভব কিছু ই না ডাক্তার দের কাছে। সাংবাদিক ওয়াহিদুজ্জামান ব্লু তার সোনাডাঙ্গা ১ম ফেজে ভাড়া বাসায় থাকতেন। অত্যন্ত সহজ সরল মানুষ ছিলেন। কেনো একজন সাংবাদিকের উপর এতো অত্যাচার হচ্ছে। খুলনা শহরের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী কামরুজ্জামান টুকু স্বাদ ও তার ছেলে মেয়ে পরিবারের সদস্য নিখোঁজ এবং সোনাডাঙ্গা ১ম ফেজের ১০ তলা বাড়ি সহ সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সন্ত্রাসীরা রাতারাতি দখল করে নেওয়ার পর থেকে কামরুজ্জামান টুকু স্বাদ এর সাথে পরিচিত ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা যারা সকলেই আস্তে আস্তে হারিয়ে যাচ্ছে। হতে পারে খুন সোনাডাঙ্গা থানার এলাকাধীন যায়গায় হয়েছে এবং লাশ ময়লার গাড়িতে বা মেডিকেল বর্জ্যের ভ্যানে করে নদীতে ফেলা হয়েছে বা অন্য কোন ভাবে সাংবাদিক ওয়াহিদুজ্জামান ব্লু ভাইয়ের লাশ নদীতে ফেলেছে। সোনাডাঙ্গা থানার অধীনে এরশাদ শিকদার এর মতো কুখ্যাত সন্ত্রাসীর গডফাদার রা এখনো বিচরণ করছে। কিছু ডাক্তাররা বড়বড় সন্ত্রাসী দের মুখে ভালো মানুষের চেহারা প্লাস্টিক সার্জারি করে দিয়ে সমাজে সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করছে। তাদেরই চক্রান্তে নিরীহ সাংবাদিক এর মতো লোক খুন হয় এবং ব্যবসায়ী কামরুজ্জামান টুকু স্বাদ এর মতো বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও প্রতিবাদী নেতাদের পরিবারের সদস্য সহ সবাই রাতারাতি মিসিং হয় এবং তাদের সম্পদ লুট হয়। এসব কি হচ্ছে কি চলছে খুলনা সোনাডাঙ্গা থানা, সদর থানা, লবনচোরা থানা , রূপসা থানায়? আর কত সাংবাদিকদের লাশ দিয়ে, মানুষের রক্ত দিয়ে এই দেশ শান্ত হবে? স্বাভাবিক পরিবেশ সৃষ্টি হবে জাতি জানতে চায়?
এদিকে পিবিআই ও সিআইডি ঘটনাস্থলে গিয়ে সাংবাদিক ওয়াহিদুজ্জামান ব্লু এর লাশের আলামত সংগ্রহ করেছে এবং মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু করেছে। সংবাদ পেয়ে পুলিশ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
স্থানীয়দের দাবি, নদীর বেজমেন্টে এভাবে সাংবাদিকের লাশ ভেসে ওঠা এলাকায় আতঙ্ক তৈরি করেছে। অনেকে এটিকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করছেন।
এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়নি। তবে পুলিশ জানিয়েছে, তদন্তের পর প্রকৃত রহস্য উদঘাটন করা সম্ভব হবে।


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন