খান জাহান আলী থানা প্রতিনিধি
উল্লেখ্য যে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে মিলের সাবেক মালিক কাউসার জামান বাবলার নিকট থেকে মিলতিক ক্রয় করেন মান্নান তালুকদার। প্রতিষ্ঠানটি ক্রয়ের পর শ্রমিক কর্মচারীদের এককালীন ১৩ শত শ্রমিক কর্মচারীদের রায় সুইটির টাকা পরিশোধ করেন তিনি। অতঃপর রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে তিনি দীর্ঘ সাত বছর কারা ভোগ করেন। ৫ ই আগস্ট এর রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর তিনি মিলটি দিয়ে সেই সর্বপ্রথম ৭৫০ জন শ্রমিক কর্মচারীদের ২০০০ টাকা জনপ্রতি ঈদ উৎসব বোনাস বিতরণ করেন। উৎসবমুখর পরিবেশে শত শত শ্রমিক কর্মচারী এজ্যাক জুট মিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মান্নান তালুকদারকে আজ সকাল ১১:০০ টায় মিল অভ্যন্তরে বরণ করে নেন। পতিত শ্রমিক কর্মচারী সহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও গণমাধ্যম কর্মীদের সামনে তিনি বিগত মালিক কওসার জামান বাবলার দুর্নীতি অনিয়ম এবং মিলে শ্রমিক কর্মচারীদের জীবন নিয়ে তিনি যে নোংরামি করেছেন তাও উপস্থাপন করেন। মান্নান তালুকদার বলেন মিলে শ্রমিক কর্মচারীদের সমস্ত বকেয়া পরিশোধ না করা পর্যন্ত আমি মিল থেকে কোন অসুবিধে ভোগ করব না। দীনেশ শ্রমিক কর্মচারীদের আরো বলেন এই প্রতিষ্ঠানের মালিক আপনারা আজ থেকে এই প্রতিষ্ঠানটি আপনারাই পাহারা দিবেন আপনাদের প্রতিষ্ঠানের সবকিছুই হেফাজতে রাখবেন আমি আপনাদের ছায়ার মত পাশে থেকে সর্বতো সহযোগিতা করবে ইনশাল্লাহ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন খানজাহান আলী থানা বিএনপি'র সাধারণ সম্পাদক আবু শাহিদ হাওলাদার আব্বাস সাংগঠনিক সম্পাদক মোল্লা সোহাগ হোসেন খান জাহান আলী থানা মহিলা দলনেত্রী মনি উপস্থিত ছিলেন নাম্বার ওয়ার্ড বিএনপি'র সভাপতি সাধারণ সম্পাদক দুগি বল ইউনিয়ন বিএনপি'র সভাপতি সাধারণ সম্পাদকসহ ছাত্রদল যুবদল দল বিভিন্ন অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। এ সময় বক্তব্য রাখেন এক্স এক্স জুট মিল শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের সম্পাদক মামা সাইফুল ইসলাম সহ সিবিএন নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। বিএনপি সাধারন সম্পাদক আবু সাঈদ হাওলাদার আব্বাস বলেন শ্রমিক কর্মচারীদের জীবন নিয়ে দাঙ্গার শিল্প অঞ্চলে কাউকেই কোন নোংরামি করার সুযোগ আর দেওয়া হবে না। তিনি শ্রমিকদের আশ্বস্ত করে বলেন আপনাদের দুর্দিনে ছিলাম এখনো আছি ভবিষ্যতেও থাকবো।


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন