আসলাম হোসেনঃ
ছয় দফা দাবি আদায়ের আন্দোলনের কর্মসূচি ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটামের মধ্য দিয়ে আজ সকাল ১১ টায় বিল ডাকাতিয়া রক্ষা কমিটির পক্ষ থেকে ফুলতলা বাজার বাস স্ট্যান্ড চত্বরে বৃহৎ এক মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়। বিল ডাকাতিয়া রক্ষা কমিটির আহবান ফুলতলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ফুলতলা উপজেলা বিএনপির আহবায়ক শেখ আবুল বাশারের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বিল ডাকাতিয়া রক্ষা কমিটির কমিটির সদস্য সচিব আব্দুল আলিম মোল্লা ফুলতলা উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান গাউসুল আদম হাদী ও সাবেক ভাই চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা সেখ ইকবাল হোসেন। বক্তব্য রাখছেন খান জাহান আলী থানা বিএনপির আহবায়ক কাজী মিজানুর রহমান ফুলতলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মুস্তাফিজুর রহমান সাংবাদিক তাপস কুমার সহ স্থানীয় বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। নেতৃবৃন্দ বলেন দীর্ঘ দুই মাস অতিবাহিত হলেও বিল ডাকাতিয়া জলবদ্ধতা নিরসনের সরকার কোন বাস্তবভিত্তিক পদক্ষেপ এখনো গ্রহণ করেনি ইতিমধ্যেই ফুলতলা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা তাসমিম জাহান ও খুলনা জেলা প্রশাসকের বরাবরে উক্ত বিষয়টি নিয়ে স্মারকলিপি প্রদান করেছে বিল ডাকাতিয়া রক্ষা কমিটির নেতৃবৃন্দ। নেতৃবৃন্দ আজ মানববন্ধন কর্মসূচিতে ছয় দফা কর্মসূচির মধ্যে বিল ডাকাতিয়াকে বন্যা দুর্গত এলাকায় হিসেবে ঘোষণা, ৭২ ঘণ্টার ভেতর বিল ডাকাতিয়ার পানি স্থায়ীভাবে অপসারণের জন্য বাস্তবভিত্তিক পদক্ষেপ গ্রহণ, ক্ষতিগ্রস্ত মৎস্যজীবী ও কৃষকদের তালিকা প্রস্তুত করে তাদের ক্ষতিপূরণ দেওয়াসহ,রাষ্ট্রত্ত্ব ব্যাংকের সুদ মওকুফ ও এনজিওর ছয় মাসের জন্য ঋণের শুধু মৌকু ও কিস্তি আদায় বন্ধের দাবি জানান। নির্দিষ্ট সময়ের ভিতর সরকারের পক্ষ থেকে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে ৭২ ঘণ্টা পরে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে মানববন্ধন কর্মসূচিতে নেতৃবৃন্দ জানান। দুই মাস অতিবাহিত হলেও বিল ডাকাতিয়ার আশপাশের উপজেলা গুলি ফুলতলা, ডুমুরিয়া, অভয়নগর, মনিরামপুর, কেশবপুর এলাকার ২ লক্ষ দিকের উপর মানুষ পানিবন্দী হয়ে রয়েছে। ৫০ হাজার হেক্টর জমির ফসল মাছ পানিতে তলিয়ে গেছে যার ফলে ৫০০ কোটি টাকার উপরে ক্ষতি হয়েছে বলে নেতৃবৃন্দ জানান। এই মুহূর্তে বিল ডাকাতিয়া পানি অপসারণ না হলে চলতি মৌসুমে হাজার হাজার হেক্টর জমির রিচার্জ সম্ভব হবে না ফলে কবলিত এলাকায় ব্যাপক হারে দুর্ভিক্ষ দেখা দিতে পারে বলে নেতৃবৃন্দ আশঙ্কা করছেন।


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন