দিঘলিয়া উপজেলায় মাদক সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে দিঘলিয়া উপজেলার সেনহাটিতে পাছি আলামিন (৩০) নামে জনৈক যুবক ছুরিকাহত হয়েছে। তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করেছে চিহ্নিত দুর্বৃত্তরা।
এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দিঘলিয়া উপজেলার সেনহাটির এক ক্রাইম জোন সেনহাটি বাইদে পাড়া। এখানকার কতিপয় ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে মাদক, চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, চাঁদাবাজিসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত। এই এলাকারই জলিল মোল্লার পুত্র পাছি আলামিন। মাদক সংক্রান্ত দ্বন্দ্বের জের ধরে তারই বন্ধু চিহ্নিত দুর্বৃত্তরা ধারালো ছুরিকাঘাতে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করেছে। সে বর্তমানে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। তার বিরুদ্ধে বিগত দিনে হত্যা, ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও মাদক কারবারের অভিযোগ রয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার (৭মে) বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৩টায় দিঘলিয়া উপজেলা সেনহাটি ইউনিয়নের জাকারিয়া মাদ্রাসার পূর্ব গেটের সামনে এ ঘটনা ঘটে। আহত আলামিন মোল্লা সেনহাটি মসজিদ পাড়ার বাসিন্দা জলিল মোল্যার পুত্র। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নেশাদ্রব্য কেনাবেচা ও ভাগাভাগিকে কেন্দ্র করে আলামিনের সঙ্গে তার দুই বন্ধু রবিউল ইসলাম (২৫) ও মৃদুলের (২৭) বাকবিতণ্ডা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে উত্তেজিত হয়ে তারা আলামিনের বাম হাতের কব্জির উপরে ধারালো চাকু দিয়ে আঘাত করে। এতে গুরুতর রক্তাক্ত জখম হয় আলামিন। অভিযুক্ত একজন সেনহাটি পশ্চিমপাড়ার সিদ্দিক মাঝির পুত্র রবিউল ইসলাম এবং অপর অভিযুক্ত জলিলের পুত্র মৃদুল। ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন দ্রুত আহত আলামিনকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। বর্তমানে সে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। সেনহাটির শান্তিপ্রিয় মানুষ দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। দিঘলিয়া থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহ আলম এ প্রতিবেদককে জানিয়েছেন, সংবাদ পেয়ে দিঘলিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ব্যাপারে দিঘলিয়া থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। অপরাধীদের গ্রেফতারে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। ঘটনার দিন রাতে মৃদুল নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকীদেরও গ্রেফতার করতে সক্ষম হবো ইনশাআল্লাহ।


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন